আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি ? ( artificial intelligence in bangla )

5/5 - (2 votes)

প্রতিবারের মতো এবারেও আমরা এমন এক বিষয় নিয়ে এসেছি , যার সম্বন্ধে অনেকেই হয়তো বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছেন কিন্তু সেভাবে কোনো তথ্য পান নি , আর সেই বিষয় টির নাম হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ( artificial intelligence in bangla)। যারা যারা টেকনোলজি তে আগ্রহ রাখেন তারা নিশ্চয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি সেটা কিছুটা হলেও জানেন , আর তাছাড়া আজকাল আমরা সবাই আমাদের এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে Google Assistant , Google Lens এইসব সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহার করে থাকি ।

এই সারা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে মানব জাতি হলো এমন এক জাতি , যাকে ঈশ্বর মস্তিষ্ক এর সাথে সাথে সেটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর কৌশল ও প্রদান করেছে । আর এই কারণে মানুষ আজ নিজের মস্তিষ্ক ও বুদ্ধি কে লাগিয়ে কোথায় থেকে কোথায় পৌঁছে গেছে , নিজের এই মস্তিষ্ক ও বুদ্ধির জোরে মানুষ কম্পিউটার , ইন্টারনেট , স্মার্টফোন ইত্যাদি , এরকম আরও বেশ কিছু আবিষ্কার করেছে ।

যার ফলে আমাদের জীবন একটা নতুন রাস্তা খুঁজে পেয়েছে , টেকনোলজি দুনিয়াতে মানুষ এতটাই উন্নতি করেছে যে এখন মানুষ তাদের মতোই মস্তিষ্ক ও বুদ্ধি কে কাজে লাগিয়ে চিন্তা ভাবনা করা , চলা ফেরা করার মতো একরকম মেশিন তৈরির কথা ভাবছে । যে মেশিন একদম মানুষের মতোই কাজ করার ক্ষমতা রাখে , আর এই অ্যাডভান্স টেকনোলজি দিয়ে তৈরী মেশিন কেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (artificial intelligence in bangla ) বলা হয় । 

এর সম্বন্ধে অনেকেই বিস্তারিত কিছু জানে না , তাই আমরা আজকের এই পোস্টে আপনাদের জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য নিয়ে এসেছি , যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি , এর ব্যবহার কোথায় করা হয় এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলি কি কি ইত্যাদি ।

চলুন তাহলে শুরু করতে যাক     

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ বাংলায় একে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয় , এখানে আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম কথার অর্থ হলো মানুষ দ্বারা তৈরী করা কোনো কিছু , এবং ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ বুদ্ধিমত্তা কথার অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা ভাবনার শক্তি । আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কম্পিউটার সায়েন্স এর একটি অংশ , যেটা এমন এক মেশিন তৈরী করছে যা একদম মানুষের মতো চিন্তা ভাবনা করতে পারে এবং কাজ করতে পারে ।

যখন কোনো কম্পিউটার কে মানুষের মস্তিষ্কের মতো করে তৈরী করা হয় , অর্থাৎ মানুষের মতো চিন্তা ভাবনা করে কোনো কাজকে বুদ্ধি দিয়ে করতে পারা , তখন সেই কম্পিউটার কে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বলা হয় । অর্থাৎ যখন আমরা কোনো মেশিনে এমন কম্পিউটার প্রোগ্রাম সেট করে থাকি যেটা মানুষের মতোই কাজ করতে পারে । 

আমাদের সকলের মধ্যে যে ইন্টেলিজেন্স ক্ষমতা রয়েছে , সেটা আমাদের মানুষের মধ্যে নিজে থেকেই অর্থাৎ অটোমেটিক্যালি বাড়তে থাকে , যেমন কিছু দেখে বা কিছু শুনে , বা কিছু ছুঁয়ে আমরা বুঝতে পারি যে কখন কি করতে হবে । ঠিক সেইভাবে কম্পিউটারের মধ্যে এক ধরণের ইন্টেলিজেন্স পার্টস ডেভেলপ করা হয়ে থাকে , যার সাহায্যে কোনো কম্পিউটার বা রোবট সিস্টেম তৈরী করা হয়ে থাকে । যেটা ঠিক সেইভাবে কাজ করে ঠিক যেভাবে মানব মস্তিস্ক কাজ করে থাকে ।

কম্পিউটার সায়েন্স এর কিছু বৈজ্ঞানিকেরা মিলে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ধারণা বা পরিকল্পনা সারা বিশ্বের সামনে নিয়ে এসেছিলো , যেখানে তারা বলেছিলো AI ধারণার দ্বারা এমন এক কম্পিউটার মেশিন বা এমন কোনো সফটওয়্যার বানানোর কথা ভাবা হচ্ছে যেটা সেইভাবে ভাবনা চিন্তা করতে পারবেন ঠিক যেমন টা মানুষের মস্তিষ্ক করতে পারে । 

এখন মানুষ কোনো কিছু বিশ্লেষণ করা এবং কোনো কিছু মনে রাখার কাজ টা নিজের মস্তিষ্কের জায়াগায় মেশিন কে দিয়ে করাতে চাইছে , তাই বিশেষ করে এই টেকনোলজির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে । কম্পিউটার সায়েন্সে AI কে মেশিন লার্নিং ও বলা হয়ে থাকে , মেশিন লার্নিং AI এর একটা অংশ হয়ে থাকে , এটি কম্পিউটার সিস্টেম কে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে নিজে থেকে শেখার এবং নিজেকে উন্নত করার ক্ষমতা প্রদান করে থাকে ।

মেশিন লার্নিং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ডেভেলপমেন্ট এর উপর কেন্দ্র করে থাকে , যা ডেটা কে এক্সেস করতে পারে এবং এর মধ্যে নিজে থেকেই অন্য কিছু শিখতে পারে , ঠিক যেমন ভাবে মানুষ তার অভিজ্ঞতা থেকে শিখে তার কার্যক্ষমতা কে বা কাজের ধরণ কে উন্নত করে ঠিক তেমন টাই হলো AI এর প্রোগ্রাম , যার সাহায্যে যে কোনো মেশিন ও নিজের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে নতুন কিছু শিখতে পারে । বর্তমান সময়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং এর প্রোগ্রামিং এর জন্য সবচেয়ে বেশি পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার করা হচ্ছে ।

 

             • পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কি ?

 

১. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ইতিহাস (artificial intelligence in bangla)

যখন মানুষ কম্পিউটার সিস্টেমের আসল ক্ষমতার খোঁজ করছিলো , তখন মানুষ এটা ভাবতে বাধ্য হয়েছিল যে একটা মেশিন কি মানুষের মতো চিন্তা ভাবনা করতে পারে । আর এই চিন্তা ভাবনা থেকেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উৎপত্তি হয় , যার পেছনে শুধুমাত্র একটাই উদ্দেশ্য ছিল যে এমন এক মেশিন তৈরী করা হোক যা মানুষের মতোই বুদ্ধিমান ও মানুষের মতোই চিন্তা ভাবনা ও নতুন কিছু শিখতে পারে ।

অনেকের মনে এখন প্রশ্ন আসছে যে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জনক কে বা প্রতিষ্ঠাতা কে ? ১৯৫৫ সালে John McCarthy আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি ব্যবহার করেছিল , John McCarthy একজন আমেরিকার কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট ছিলেন , যিনি ১৯৫৬ সালে একটি কনফারেন্সে এই টেকনোলজির কথা বলেছিলেন । এই কারণে তাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জনক বা Father Of Artificial Intelligence বলা হয়ে থাকে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোনো নতুন বিষয় নয় , সারা বিশ্বে এর নিয়ে চর্চা হতেই থাকে , এছাড়া বেশ কিছু মুভি তে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার দেখা গেছে , যেমন Robot , The Terminator , Matrix , Minority report ও Blade Runner ইত্যাদি । যেখানে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে রোবট মানুষ এর মতো চিন্তা ভাবনা করছে এবং বিভিন্ন কাজ করছে ।

 

  • ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ? cryptocurrency in bengali

 

২.আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর ব্যবহার কোথায় করা হয় 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে , আর বর্তমানে এটি এমন একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যে টেকনোলজিতে এর অনেক নাম শোনা যাচ্ছে । বেশ কিছু বিশেষজ্ঞের মতে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং আমাদের ভবিষৎ , কিন্তু যেদিন আমরা ভালো করে আমাদের চারপাশ টা দেখি তাহলে দেখতে পারবো যে এটা আমাদের ভবিষৎ তো পরে এটাই আমাদের বর্তমান । টেকনোলজি এর উন্নতির সাথে সাথে আমরা কোনো না কোনো ভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর সাথে যুক্ত রয়েছি এবং এর ব্যবহার ও করছি ।

অনেক বড়ো বড়ো টেকনোলজি কোম্পানিরা এর উপর প্রচুর ইনভেস্টমেন্ট করেছে যার ফলে আমরা বিভিন্ন AI প্রোডাক্ট ও Apps ব্যবহার করতে পারছি ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি

চলুন কিছু AI Base কিছু প্রোডাক্টের উদাহরণ দেখে নেওয়া যাক ।

 

২.১. আপনারা অনেকেই আই ফোন ব্যবহার করেছেন বা দেখেছেন এবং এর মধ্যে থাকা একটি জনপ্রিয় ফিচার SIRI Personal Assistant এর সম্বন্ধে নিশ্চয় শুনেছেন । এই SIRI হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর একটি অন্যতম উদাহরণ । এর থেকে আপনি সেইসব কাজ করতে পারেন যা আপনি এতো দিন টাইপ করে করতেন , যেমন ইন্টারনেটে কিছু ইনফরমেশন সার্চ করা , মেসেজ করা , কোনো এপ্লিকেশন খোলা , কোনো জিনিস কে চেনা বা recognize করা ইত্যাদি ।

এছাড়া আরও বেশ কিছু কাজ আপনি ফোন না ধরেই Hey Siri বলে সেই কাজ টি মুখে বলেই করে নিতে পারবেন । এই Siri আপনার ভাষা এবং আপনার প্রশ্ন টি বোঝার জন্য মেশিন লার্নিং টেকনোলজির ব্যবহার করে থাকে , তবে এটি শুধু মাত্র আই ফোন ও আই পড ডিভাইস এর জন্য উপলব্ধ রয়েছে । এছাড়া Alexa Device , উইন্ডোজ এর Cortana ও এন্ড্রয়েড ফোনের Google Assistant ইত্যাদি এইসব Siri এর মতোই কাজ করে থাকে ।

 

           • মেটাভার্স কি ? মেটাভার্স কেনই বা এতো জনপ্রিয় ? (what is metaverse in bangla)

 

২.২. গুগল নিজের বেশ কিছু প্রোডাক্টে AI এর ব্যবহার করে থাকে তার মধ্যে বিশেষ করে Google Maps এর মধ্যে AI এর বিশেষ ব্যবহার করা হয়েছে , যখন আমরা নিজের লোকেশন থেকে অন্য কোনো লোকেশনে যাওয়ার জন্য গুগল ম্যাপ ব্যবহার করি , তখন গুগল AI টেকনোলজির সাহায্যে আমাদের সঠিক রাস্তা দেখায় ।

২.৩. বিশ্ব বিখ্যাত ই কমার্স প্ল্যাটফর্ম আমাজন একটি AI প্রোডাক্ট বাজারে নিয়ে আসে যার নাম ECHO , এটি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে , আপনার জন্য বিভিন্ন অডিওবুক পড়তে পারে , আপনার এলাকার আবহাওয়ার রিপোর্ট দিতে পারে , কোনো খেলার খবর এবং সময় বলতে পারে ইত্যাদি ।

২.৪. AI এর ব্যবহার শুধু স্মার্টফোনেই নয় , অটোমোবাইল সেক্টরে এর ব্যবহার করা হচ্ছে । যদি আপনি Car এর প্রতি আগ্রহ রাখেন , তাহলে নিশ্চয় আপনি Tesla Car এর কথা নিশ্চয় শুনেছেন । এই Car এ Self driving এর সুবিধা দেখতে পাওয়া যায় , অর্থাৎ কোনো ড্রাইভার ছাড়াই এই গাড়ি নিজে থেকে চলবে , খালি আপনাকে নির্দিষ্ট লোকেশন সেট করে দিতে হবে যে আপনি কোথায় যাবেন ।

২.৫. AI এর ব্যবহার ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতে ও করা হচ্ছে , আগে যেখানে একটা কাজ করার জন্য প্রচুর লোকজন লাগতো , সেখানে এখন মেশিনের সাহায্যে সেই কাজ অনেক তাড়াতাড়ি এবং ভালোভাবে করা যাচ্ছে ।

 

     • ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসা শুরু করতে চান? সেরা ১০টি  ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসার আইডিয়া দেখে নিন

 

২.৬. আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ভিডিও গেম খেলতে পছন্দ করে , এই গেম এর মধ্যেও AI এর ব্যবহার করা হচ্ছে ।

এছাড়া Speech Recognition , Robot তৈরীতে , জলবায়ু ও আবহাওয়ার তথ্য পেতে , Health Industry ইত্যাদি এইসকল ক্ষেত্রে AI এর ব্যবহার করা হচ্ছে ।

 

৩. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সুবিধা

সব জিনিসের মতো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বেশ কিছু সুবিধা আছে , যা আমাদের বর্তমান সময় কে বেশ উন্নত করেছে । চলুন তাহলে দেখে নি এর সুবিধা গুলি 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি

 

• AI আমাদের যে কোনো কাজে ভুল ভ্রান্তি গুলো কমাতে সাহায্য করে , অর্থাৎ AI এর দ্বারা সম্পন্ন হওয়া কাজে ভুলের পরিমান অনেকটাই কম হয় ।

• AI আমাদের যে কোনো কাজ নিখুঁত এবং অনেক তাড়াতাড়ি কাজ করতে সাহায্য করে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর দ্বারা চালিত মেশিনে কাজ করার সময় মানুষের মতো বিশ্রামের প্রয়োজন হয়না , ঘন্টার পর ঘন্টা মেশিন গুলি চলতে থাকে এবং কাজ করতে থাকে কোনো ক্লান্তি ছাড়াই , এর ফলে কাজের Productivity অনেকটাই বেড়ে যায় ।

• ভবিষতে AI এর সাহায্যে টেকনোলজি , মেডিকেল , কৃষি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তন আসতে পারে ।

 

৪. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অসুবিধা

স্বাভাবিক ভাবে যে জিনিসের সুবিধা আছে তার বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে , চলুন তাহলে দেখে নি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অসুবিধা গুলি 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সুবিধা এখনো পর্যন্ত অনেকটা ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে , কিন্তু AI এর জন্য সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানবজাতি হবে ।

• AI মানুষের জায়গায় কাজ করবে , এবং মেশিন নিজে থেকেই চিন্তা ভাবনা করবে , যদি এর উপর কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ না করা হয় তাহলে এটা মানবজাতির জন্য সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে ।

• বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ দের মতে চিন্তাভাবনা করতে পারে এমন কোনো রোবট যদি কোনো কারণ বশত বা কোনো টেকনিকাল ভুলের জন্য মানুষ কে তার শত্রু ভেবে বসে এবং মানুষের উপর আক্রমণ করে , তাহলে এটা মানবজাতির জন্য বিপদজনক হতে পারে । 

• যে কোনো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কাজের জন্য প্রচুর খরচ হয় , কারণ এটি অনেক জটিল বা Complex ভাবে তৈরী করা হয় , এছাড়া এর মেরামত খরচ ও অনেক বেশি ।

• সবচেয়ে বড়ো অসুবিধা হলো যে AI অনেক মানুষের রোজগার কেড়ে নেবে , ফলে ভবিষতে বেকারত্বের সংখ্যা আরও বাড়বে ।

 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার আমরা অনেকে নিজেদের সুবিধার জন্য করছি , কিন্তু এটাও সত্যি AI এর বেশ কিছু সুবিধা হলেও অসুবিধা ও রয়েছে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আসাতে আমরা যে সুবিধা পাচ্ছি বা ভবিষতে এটা মানবজীবনে কিরকম প্রভাব ফেলবে সেটা আপনারা কি ভাবছেন সেটা আমাদের কমেন্টে লিখে জানান ।

একনজরে : আজকের এই পোস্ট থেকে আমরা কি কি জানলাম 

প্রথমে জানলাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? তারপরে জানলাম এর ইতিহাস এবং এর ব্যবহার বর্তমানে কোথায় করা হচ্ছে । সবশেষে জানলাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সুবিধা ও অসুবিধা কি কি । 

আশা করি আজকের এই পোস্ট থেকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি এবং এর ব্যবহার কোথায় করা হচ্ছে এবং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা ইত্যাদি যাবতীয় তথ্য আপনারা জানতে পেরেছেন । আমাদের সবসময় একটাই উদ্দেশ্য থাকে যে আপনাদের সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করা , এমনিতেই আমাদের বাংলা ভাষী মানুষেরা সঠিক তথ্যের অভাবে ভীষণ পিছিয়ে রয়েছে , তাই তাদের কথা ভেবে এই একটা ছোটো প্রচেষ্টা । তাই এরম তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের ব্লগের সাথে যুক্ত থাকুন এবং আমাদের এই পোস্ট ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন ।

ধন্যবাদ

বঙ্গজ্ঞান টীম 

শেয়ার করুন:

নমস্কার , বঙ্গজ্ঞান ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগত , আপনাদের বিভিন্ন বিষয়ে যেমন ব্যবসা , ক্যারিয়ার , কম্পিউটার জ্ঞান , ইন্টারনেট ইত্যাদির উপর আমরা তথ্য নিয়ে আসি প্রতি সপ্তাহে সোমবার দুপুর ০২.৩০ মিনিটে। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের সবার কাছে বাংলা ভাষায় সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া।

2 thoughts on “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি ? ( artificial intelligence in bangla )”

Leave a Comment